তাতারী জাতি যখন বাগদাদের সিংহাসনে আসীন হলো , তখন তারা নিজেদেরকে অতি মাত্রায় উঁচু মর্যাদার অধিকারী মনে করতে লাগল ।
একদিনের ঘটনা , জনৈক তাতারী শাহজাদা ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে বনে শিকারের জন্য যাচ্ছিল, এ সময় তার সাথে তার কুকুরটিও ছিল ।
চলার পথে একজন মুসলমান বুযুরগের সাথে তার সাক্ষাত হয় । সে ঐ বুযুরগকে বল্ল, বলুনতো আপনি ভালো নাকি আমার এ কুকুর ভালো ? সে অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সহিত জবাব দিল, আমার শেষ বিদায় যদি ঈমানের সহিত হয় , তাহলে আমি ভালো নচেত তোমার কুকুরই ভালো । এ উত্তর শুনে সে অত্যন্ত বিচলিত হলো, এবং সে মুসলমান হয়ে গেল ।
চলার পথে একজন মুসলমান বুযুরগের সাথে তার সাক্ষাত হয় । সে ঐ বুযুরগকে বল্ল, বলুনতো আপনি ভালো নাকি আমার এ কুকুর ভালো ? সে অত্যন্ত গাম্ভীর্যের সহিত জবাব দিল, আমার শেষ বিদায় যদি ঈমানের সহিত হয় , তাহলে আমি ভালো নচেত তোমার কুকুরই ভালো । এ উত্তর শুনে সে অত্যন্ত বিচলিত হলো, এবং সে মুসলমান হয়ে গেল ।
সুবহানাল্লাহ! আজ আমরা
গুনাহের কাজ করে কতইনা গর্ব
বোধ করি, যে যত বেশি
গুনাহ করে সে যেন তত বেশি বড়! আজ এ মহামারীর সময়ে
ও আমরা চুরি
ব্যভিচারে লিপ্ত , যা পত্র পত্রিকায়
তাকালেই আমরা দেখতে
পাচ্ছি এতটুকু হিসাব
করছিনা যে এ মালগুলো হয়ত ভক্ষণ করে যেতে পারব
না।
কেননা প্রতেকেরই মৃত্যু
বরন করতে হবে , কোরআনে রয়েছে
كل نفس ذائقة الموت .
তাই আসুন আমরা
যেন রব্বে কারিমের
দরবারে ঈমান নিয়ে
যেতে পারি এ জন্য বেশি
করে নামাজ পড়ি।
কেননা রাসূল সা মৃত্যুর সময়ও
বলেছেন الصلاة الصلاة
নামাজ নামাজ , হাদিসে
রয়েছে "الفرق بين الكفر والمسلم
الصلاة "নামাজ হল কাফের এবং মুসলমানের মাঝে
পার্থক্য কারি" ।
এবং তেলাওয়াত ও জিকির আজকার
করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন
করে ঈমানের সহিত
বিদায় নিতে পারি
। আল্লাহ তাওফিক
দান করুন আমিন
।
মুফতী রিয়াজুল ইসলাম
।
সিনিয়র শিক্ষক
জামিয়া রাওজাতুল উলুম ঢাকা।
উত্তরা, ঢাকা ১২৩০।
সিনিয়র শিক্ষক
জামিয়া রাওজাতুল উলুম ঢাকা।
উত্তরা, ঢাকা ১২৩০।