content

আজ ১৪ ই শাবান আজকের দিবাগত রাত্রটিই হলো শবে বরাত। শবে বরাত সহি হাদীস এবং হাসান লি গাইরিহী হাদীস দারা প্রমানিত, সুতরাং আমরা অদ্যরাত্র নিজ নিজ ঘরে অবশ্যই ইবাদাত বন্দেগী করব, কেহই ইবাদাত থেকে বিরত
থাকবো না।
* শবে বরাতের ফজিলত *

সহি হাদীসে হযরত মুয়ায বিন জাবাল বর্ননা করেন যে, নাবী কারীম( সা:) এরশাদ করেন, মহান আল্লাহ শা'বানের ১৫ তম রজনীতে তার বান্দাদের প্রতি মনোনিবেশ করেন এবং মুশরিক ও পরস্পর বিদ্বেষ পোষনকারী ব্যতিত সকলকে ক্ষমা করে দেন।
হাদীসটি সহি এবং তার সকল বর্ননাকারী নির্ভরযোগ্য।
(সূত্র কিতাবুসসুননাহ, সহী ইবনে হিববান।)

এই রাতের আমল সম্পর্কে আরো ১০ টি হাদীস বর্নিত হয়েছে, যাহা একাধিক সূত্রে বর্নিত হওয়ার কারনে হাসান লি গাইরিহী (শক্তিশালী হাদীস) এবং আমলযোগ্য।

এই রাতের আমল ঃ-

(ক) রাতে বিনিদ্র থেকে নামাজ, যিকির, এবং কুরআন তিলাওয়াতে লিপ্ত থাকা,
(খ) ইহকালীন ও পরকালীন কল্যান এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা,
(গ) এবং ঐ রাতে সাহরী খেয় পরে দিন রোযা রাখা।
এই রাতের বরকত ও ফযীলত হতে যারা বঞ্চিত
৭ শ্রেনীর মানুষ এ রাতের ফযীলত হতে বঞ্চিত থেকে যাবে,
১। শিরককারী
২। আত্মহত্যাকারী
৩। হিংসিকারী ৪। রক্ত সম্পর্কের আত্মীয়তা ছিন্নকারী
৫ পায়ের গিরার নীচে কাপড় পরিধানকারী
৬। পিতা মাতার নাফারমানীকারী
৭। শরাব পানকারী।
তবে যারা খাটি দিলে তওবা করে, আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আল্লামাহ তাঁদেরও এ ৭ প্রকার গুনা মাফ করে দিবেন।
সুতরাং হে আল্লাহ এ রজনীতে বিনিদ্রা থেকে ইবাদাত বন্দেগী ও খাটি দিলে তাওবা এবং পরের দিন রোযা রাখার তাওফিক দাও। আর যারা বলবে আমিন, হে আল্লাহ তুমি তাদের জন্য হয়েযাও যামিন।

মুফতী জাকির হুসাইন।
সিনিয়ার পেশ ইমাম,
মসজিদ আল মাগফিরাহ,
মোহতামিম,
জামিয়া রাওজাতুল উলুম ঢাকা।
উওরা ঢাকা-১২৩০।